দক্ষিণ কোরিয়া প্রতিবেদক
দক্ষিণ কোরিয়ার এক দুর্গম পাহাড়ি এলাকা। সরু মাটির পথ, দুপাশে ঘন বাঁশঝাড় আর সবুজ বন। লোকালয় থেকে অনেক দূরে, নির্জন এই পাহাড়ের কোলেই চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন সিরিয়ান দাঈ শায়েখ আব্দুল ওয়াহাব জাহেদ রাহিমাহুল্লাহ।
নিজের জন্মভূমি সিরিয়া ছেড়ে তিনি এসেছিলেন হাজার মাইল দূরের এই দেশে, যেখানে তখন ইসলামের নামও খুব কম মানুষ জানতেন। দ্বীনের দাওয়াত পৌঁছে দেওয়ার ব্রত নিয়ে তিনি এখানে কাজ করে গেছেন, আর শেষ পর্যন্ত এই মাটিতেই মিশে গেছেন। আজ কোরিয়ার মাটিতে যে মসজিদ, যে মুসলিম কমিউনিটি, যে আজানের ধ্বনি, তার পেছনে রয়েছে এমন অনেক নিঃস্বার্থ দাঈর ত্যাগ ও শ্রম।
সম্প্রতি দাওয়াহ২৪-এর পক্ষ থেকে তাঁর কবর জিয়ারতে যাওয়া হয়। দুর্গম পাহাড়ি পথ পেরিয়ে সেখানে পৌঁছানোর মুহূর্তগুলো ভিডিওতে ধারণ করা হয়েছে।
এই নির্জন কবর আমাদের মনে করিয়ে দেয়, দ্বীনের পথে যারা ঘর ছাড়েন, আল্লাহ তাঁদের মর্যাদা কখনো নষ্ট করেন না। আল্লাহ তায়ালা বলেন,
وَمَنْ يَخْرُجْ مِنْ بَيْتِهِ مُهَاجِرًا إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ ثُمَّ يُدْرِكْهُ الْمَوْتُ فَقَدْ وَقَعَ أَجْرُهُ عَلَى اللَّهِ
"যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের উদ্দেশ্যে হিজরত করে নিজের ঘর থেকে বের হয়, অতঃপর তার মৃত্যু হয়, তার প্রতিদান আল্লাহর দায়িত্বে নির্ধারিত হয়ে যায়।" (সূরা নিসা, ১০০)
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কবর জিয়ারতের সময় এই দোয়া শিখিয়েছেন,
السَّلَامُ عَلَيْكُمْ أَهْلَ الدِّيَارِ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُسْلِمِينَ، وَإِنَّا إِنْ شَاءَ اللَّهُ بِكُمْ لَاحِقُونَ، نَسْأَلُ اللَّهَ لَنَا وَلَكُمُ الْعَافِيَةَ
"হে কবরবাসী মুমিন ও মুসলিমগণ, তোমাদের প্রতি সালাম। ইনশাআল্লাহ আমরাও তোমাদের সঙ্গে মিলিত হব। আমরা আল্লাহর কাছে আমাদের ও তোমাদের জন্য নিরাপত্তা প্রার্থনা করি।" (সহিহ মুসলিম)
কবর জিয়ারত মানুষকে আখিরাতের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। তবে জিয়ারত হবে সুন্নাহ মোতাবেক: সালা




